আশার আলো সোসাইটি এর উদ্যোগে এনজিও কর্মীদের জন্য যক্ষা নিয়ন্ত্রন বিষয়ক অরিয়েন্টেশন

বাংলার কলম বাংলার কলম

নিজেস্ব ডেক্স

প্রকাশিত: ৬:৫৬ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৮, ২০১৯ | আপডেট: ৬:৫৬ অপরাহ্ণ

মোঃ রকিবুল হাসান, ২৮ নভেম্বর ২০১৯
আশার আলো সোসাইটি (এএএস) হচ্ছে এইচআইভি পজেটিভ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত একটি পিয়ার সার্পোট গ্রুপ। এইচআইভি আক্তান্ত ব্যাক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সেবাদান, ক্ষমতায়ন, অধিকার রক্ষা ও সকল ক্ষেত্রে অধিকতর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৯৯৮ সালে আশার আলো সোসাইটি আত্মপ্রকাশ করে।

একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্বতন্ত্র সমাজসেবা-মূলক প্রতিষ্ঠান হিসাবে আশার আলো সোসাইটি ২০০২ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজসেবা অধিদপ্তর এবং ২০০৬ সালে এনজিও বিষয়ক ব্যুরো কর্তৃক নিবন্ধিত হয়। বর্তমানে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও যশোর জেলায় আশার আলো সোসাইটির প্রকল্প কার্যালয় আছে। এ সকল কার্যালয়ের মাধ্যমে আশার আলো সোসাইটি সদস্যদের সেবা প্রদান করছে এবং সমগ্র দেশব্যাপী সচেতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

আশার আলো সোসাইট উদ্যোগে বৃহস্পতিবার বেলা ২টায় এনজিও কর্মীদের জন্য যক্ষা ও এইচআইভি নিয়ন্ত্রন বিষয়ক অরিয়েন্টেশন হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ডা. রাহাত নাজমা ও ডা. শাহ মেহেদী বিন জহুর এবং সেখানে উপস্থিত ছিলেন পাঁচটি সংগঠেনর কর্মীবৃন্দ। ডা. রাহাত নাজমা বক্তব্য রাখেন, সেখানে তিনি এইচআইভি ও যক্ষা কী? এইচআইভি ও যক্ষা কি ছোঁয়াচে? এইচআইভি ও যক্ষা কিভাবে ছড়ায়? এইচআইভি ও যক্ষা কিভাবে ছড়ায় না? এইচআইভি ও যক্ষা এর চিকিৎসা আছে কী? এইচআইভি ও যক্ষা আক্রান্ত ব্যক্তির প্রতি বৈষম্য দুর করা এইচআইভি ও ও যক্ষা প্রতিরোধের পূর্বশর্ত সমূহ নিয়ে বক্তব্য রাখেন।

সেই সাথে বক্তব্য রাখেন, ডা. শাহ মেহেদী বিন জহুর, তিনি আশার আলো সোসাইটি প্রতিষ্ঠান কিভাবে কাজ করছে? কি নিয়ে কাজ করছে? আশার আলো সোসাইটি এইচআইভি আক্তান্ত ব্যাক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের কিভাবে সেবাদান করেন এসব বিষয়ে তিনি আলোচনা রাখেন। পাঁচ সংগঠনের কর্মীরা আশার আলো সোসাইটি সাথে যক্ষা এবং এইচআইভি আক্রান্ত ব্যাক্তিদের সেবা দানের অঙ্গীকার করেন। পাঁচটি সংগঠন হলঃ ১) সচেতন তরুন সমাজ, ২) সূর্যের হাসি, ৩) বাঁধন হিজরা সংঙ্গ, ৪) নারী মৈত্রী, ৫) সোনালী সংঙ্গ।