বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষন আর টাকা নেয়াই তজুমউদ্দিনের আল-আমিনের নেশা

বাংলার কলম বাংলার কলম

নিজস্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ২:০০ অপরাহ্ণ, মে ২১, ২০২০ | আপডেট: ২:০০ অপরাহ্ণ

প্রথমে প্রেম, তারপর শারীরিক সম্পর্ক, তারপর ব্লাকমেইল করে টাকা হাতিয়ে নেয়া। এভাবেই দীর্ঘদিন ধরে অপকর্ম করে ভেঙ্গে চলেছে অনেকের সংসার, নষ্ট করেছে অনেকের জীবন।

ভোলার তজুমউদ্দিনের শম্ভুপুর ইউনিয়নের শিবপুর ১ নং ওয়ার্ডের বলাই বাড়ির শাহে আলমের ছেলে আল-আমিন। পরকীয়া আর মেয়ে সহ কিছুদিন পরপরই স্থানীয়দের হাতে আটক হয় সে। স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিরা তার বিচার করতে করতে অতিষ্ঠ। বন্ধই হচ্ছেনা তার পরকিয়া কির্তি। সর্বশেষ সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন বোরহানউদ্দিনের টবগী ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ফকির বাড়ির রুমা বেগম। তাকেও পরকীয়ার জালে ফাসাঁন আল-আমিন । তাকে নানা ধরনের ছলছাতুরি করে শারীরিক সম্পর্কের জন্য রাজী করেন। অন্যদিকে রুমার শশুর বাড়ি আর আল-আমিনের বাড়ি একই বাড়ি। পরে স্থানীয়রা আপত্তিকর অবস্থায় আল-আমিন ও রুমাকে ধরে ফেলেন। এরপর স্থানীয় শালিশীর রায়ে রুমাকে নগদ ২ লক্ষ টাকা দেয়া হয় এবং তাদের মধ্যে পুনরায় যোগাযোগ করতে সম্পুর্ন ভাবে নিষেধ করা হয়। এরপর এ ঘটনার পর রুমাকে তার স্বামী তালাক দিয়ে দেয়।

অন্যদিকে আল-আমিন শালিশের রায় অমান্য করে পুনরায় রুমার সাথে ছলনা শুরু করে। এবং শালিশের রায়ে দেয়া নগদ দুই লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় এবং বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দেয়। এরই মধ্যে রুমাকে না জানিয়েই টবগী ৬ নং ওয়ার্ডের হান্নানের মেয়ে স্বপ্নাকে বিয়ে করে। বিয়ের ১৩ দিনের মাথায় আল-আমিন বাড়িতে থাকাকালীনই স্বপ্না অজানা কারনে আত্মহত্যা করে। স্থানীয়দের কানাঘুষা করতে শোনা যায় আল-আমিনের পরকীয়ার কারনেই স্বপ্না আত্মহত্যা করেছে। এরপর দিন আত্মহত্যার বিষয়টি জানাজানি হলে রুমা লোকমুখে বিয়ের বিষয়টি জানতে পারে। এবং ওসিকে বিষয়টি অবগত করে।

এছাড়াও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কুঞ্জেরহাট, ডাওরী, বাংলাবাজার, তজুমউদ্দিনের একাধিক নারী এ ধরনের অভিযোগ করেন।

এ বিষয়ে আলামিনের একাধিক শালিশ মিমাংসাাকারী ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তি সাইদ প্রফেসর জানান, আমরা আল-আমিনের অনেকগুলো শালিশ করেছি। কিন্তু আল-আমিন বারবার একই কাজ করেছে। ওর দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি হওয়া দরকার।

এছাড়াও স্থানীয় ইউপি সদস্য বাবুল, সাবেক ইউপি সদস্য সলিম পাটোয়ারীসহ স্থানীয় অনেকেই জানান, আল-আমিন বারবার একই কাজ করে গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের রায়কে অমান্য করেছে। তার দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি চায় এলাকাবাসী ।