প্রধানমন্ত্রীর নিকট সাংবাদিকদের অনুকূলে করোনায় বিশেষ বরাদ্দের দাবিত বিএমএসএফের স্মারকলিপি

বাংলার কলম বাংলার কলম

নিজস্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ১:৪৮ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৫, ২০২০ | আপডেট: ১:৪৮ অপরাহ্ণ

প্রধানমন্ত্রীর নিকট সাংবাদিকদের অনুকূলে করোনায়
বিশেষ বরাদ্দের দাবিত বিএমএসএফের স্মারকলিপি

ঢাকা বুধবার ১৫ এপ্রিল ২০২০: চলমান করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সারাদেশের সাংবাদিকদের অনকূলে বিশেষ অর্থ বরাদ্দের দাবি করেছে বিএমএসএফ। এ দাবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট বুধবার সকালে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম-বিএমএসএফ’র কেন্দ্রীয় সভাপতি শহীদুল ইসলাম পাইলট ও সাধারণ সম্পাদক আহমেদ আবু জাফর ই-মেইলে এ দাবিতে স্মারকলিপি পাঠিয়েছেন।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, করোনা মোকাবেলায় সরকারের প্রশাসন ও চিকিৎসকের পাশাপাশি সাংবাদিকেরাও দায়িত্বশীল ভূমিকা রেখে চলছেন। সরকারের পক্ষ থেকে একমাত্র সাংবাদিক ছাড়া বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষকে প্রণোদনার আওতায় আনা হয়েছে। যা সাংবাদিকদের জন্য ভীষন বেদনা ও পীড়াদায়ক।

সারাদেশের সংকটময় মূহূর্তে সাংবাদিকরাই তাৎক্ষনিক খবর পৌঁছে দিয়ে জনসচেতনতা তৈরী করে থাকেন। ৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৬৯’র গণঅভূত্থান ও ৭১’র মুক্তিযুদ্ধসহ রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে সাংবাদিকদের ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। কিন্তু স্বাধীনতার ৪৯ বছর পেরিয়ে গেলেও একমাত্র সাংবাদিকরাই রাষ্ট্রের কাছ থেকে কোন সুবিধাদি গ্রহন করেনি।

রাষ্ট্রের কাছ থেকে সমাজের সকল পেশার মানুষের দাবি ও অধিকার প্রতিষ্ঠিত হলেও একমাত্র সাংবাদিকদের দাবি আজো প্রতিষ্ঠা হয়নি। বর্তমান দেশে মহামারী করোনা ইস্যুতে সরকারের প্রশাসনের পাশাপাশি সাংবাদিকরাও পেশাগত দায়িত্ব পালন করছেন, যা সর্বমহলে প্রশংসিত।

দেশে চলমান করোনা ইস্যুতে অগনিত সাংবাদিক চালচোরদের দ্বারা মামলা-হামলা ও লাঞ্ছিতের শিকার হয়েছেন। ইতিমধ্যে চলমান করোনায় ৭-৮জন সাংবাদিক আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের সুচিকিৎসার দাবি করা হয়।

স্মারকলিপিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি বিশেষ অনুরোধ রাখা হয় যে, কোন কুলীন সাংবাদিক কিংবা তাদের সংগঠনের নেতাদের কথায় কান না দিয়ে আপনার প্রশাসনের দ্বারা খোঁজ নিয়ে অথবা নিজগুনে দাবির বিষয়টি বিবেচনা করবেন। তথ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জেলা-উপজেলা অনুযায়ী কর্মরত পেশাদার সাংবাদিকদের অনুকূলে চলমান করোনা মোকাবেলায় অর্থ বরাদ্দেরও দাবি করেন নেতৃবৃন্দ। ইতিপূর্বে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ২০ কোটি টাকার খোঁজ পায়নি মফস্বলে কাজ করা সাংবাদিকরা।