আশুলিয়ার কৃতি সন্তান হাজি আঃ মতিন আর্তমানবতার মহান সেবক

বাংলার কলম বাংলার কলম

নিজস্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ১:০২ অপরাহ্ণ, মে ২০, ২০২০ | আপডেট: ১:০২ অপরাহ্ণ

মোঃ এনামুল হক

আশুলিয়া থানা পবনারটেক এলাকার সম্রান্ত মুসলিম পরিবারের কৃতি সন্তান বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব ধামসোনা ইউপি আওয়ামীলীগের বিপ্লবী সাধারন সম্পাদক আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে পরিক্ষিত সৈনিক দীর্ঘ সময় রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে যার ব্যাপক অবদান।

হাজী মতিউর রহমান মতিন আওয়ামীলীগের দুঃসময়ের রাজপথের সৈনিক তিনি ছাত্রজীবনে সাভার কলেজ ছাত্র সংসদদের সদস্য ও কলেজ শাখার ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি,ধামসোনা ইউপি আওয়ামী -যুবলীগের সভাপতি,সাভার উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি,ভলিভদ্র বাজার ব্যাবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি,হাসেম প্লাজা ব্যাবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি, শমশের প্লাজা দোকান মালিক সমিতির সভাপতি, পারমানবিক শক্তি কমিটির সবেক সদস্য,পবনারটেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি,১৯৯৮সালে ৬ নং ওয়ার্ডের জনগনের বিপুল ভোটে জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হন এরপর বিনা প্রতিদ্ধন্দিতায় ধমসোনা ইউপি আওয়ামীলীগের বিপ্লবী সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হয়।এছাড়া অসখ্য কিন্ডারগার্টেন স্কুল ও মাদ্রাসায় ম্যানেজিং কমিটির দ্বায়িত্ব পালন করেছেন।

দেশে যে সময় আওয়ামীলীগের দুঃসময় ছিল সে সময় সরকার বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে স্বৈরচার হঠাও দেশরক্ষা করো রাজপথে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর লড়াকু সৈনিক হিসেবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। সে সময় রাজপথে আশুলিয়া থানা এলাকায় একমাত্র মতিউর রহমান মতিনের নেতৃত্বে মিছিল মিটিং হয়েছে। দীর্ঘ সময় রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করার কারণে জামাত-বিএনপি জোট সরকারের প্রশাসনে পড়ে বহু মামলা হামলা জুলুম নির্যাতনের শিকার হন এরপর বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে কেউ একটু সরাতে পারেনি দেশ ও দলের স্বার্থে জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যে কোন নির্দেশ পাওয়া মাত্র সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্দেশনা দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে সবসময়ই রাজপথ নিজেদের দখলে রেখে আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। স্বনির্ভর ধামসোনা ইউপি আওয়ামী লীগের একজন সফল সাধারন সম্পাদক হিসেবে এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা সৃষ্টি হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে যেকোনো কর্মসূচিতে আমরা ধামসোনা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছি করবো।
গনমাধ্যমের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,আমাদের বর্তমান প্রচলিত স্বাস্থ্যবিধি নিয়মিত মেনে চলা এবং এর প্রভাব বিস্তারকে রোধ করতে আমাদের সকলকে ঘরে থাকা ও বাহিরে বের না হওয়া।

স্বনির্ভর ধামসোনা ইউনিয়নের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে চলেছেন তিনি। গরীব অসহায় হতদরিদ্র মানুষের এক মাত্র ভরসার পাত্র হাজী মতিউর রহমান মতিন।তিনি নিজস্ব ও সরকারি একএিত অর্থায়নে ত্রান সামগ্রী বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন আশুলিয়া থানা ধামসোনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম। তিনি এাণ দিয়েছেন মসজিদের ইমাম,মুয়াজ্জীন,সহ অসংখ্য মুসল্লীদের। তিনি ত্রান সামগ্রী দিয়েছেন, ভ্যান চালক,রিকশা চালক,অটোরিকশা চালক, পিকাপ ড্রাইভার, ট্যাক্সি চালিত শ্রমিকদের ত্রান দিয়েছেন। কর্মহীন মানুষের মাঝে ত্রান দিয়েছেন। মধ্যবৃত্ত পরিবারের মধ্যে ত্রান দিয়েছেন, আওয়ামী লীগের অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে ত্রান দিয়েছেন। বিরুধী দলের সকল নেতাকর্মীদের মাঝে ত্রান দিয়েছেন। তিনি সর্ব দলীয় জনগনকে এান দিয়েছেন। তিনি কখনো কোনো ন্যাশনাল আইডি কারো নিকট চায় নাই। তিনি কখনো দেখেনি সে কোন গ্রামের, কোন ওয়ার্ডের,কোন ইউনিয়নের,কোন থানার, কোন জেলার, তিনি বলেছেন এখন মানুষ বিপাকে আছেন,এখন রাজনীতি করার সময় নয়। এখন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সময়। ত্রান দিয়েছেন অগনিত কারখানা শ্রমিকদের ও হতদরিদ্র এবং গনমাধ্যম কর্মীদের মাঝে এাণ বিতরন করেছেন। যতদিন পর্যন্ত মহামারী করোনা থাকবে ততদিন পর্যন্ত এাণ দেওয়া অব্যাহত থাকবে।

আমরা আরও জানতে পারি,হাজী মতিউর রহমান মতিন স্বনির্ভর ধামসোনা ইউনিয়নে নিজে কখনো হ্যান্ড মাইকে ঘোষনা দিচ্ছেন।কখনো বাসার সামনে গিয়ে সচেতনতা অবলম্বন করার জন্য।শতস্পুত ভাবে অনুরোধ করছেন। বাহিরে ঘোরাঘুরি করতে নিষিদ্ধ ঘোষনা করছেন আবার অন্য কোন থানা ইউনিয়নের লোক এই ইউনিয়নে এই গ্রামে প্রবেশ করতে না পারে সে দিকে সজাগ দৃষ্টি রেখে চলেছেন। বর্তমান সময়ে তিনি বীর সৈনিকের মত আগলে রেখেছেন তার ইউনিয়নকে।

এখনো আমাদের যথেষ্ট সময় রয়েছে নিজেদের সচেতন হওয়ার জাতীকে সচেতন করার আর এজন্য চাই সকলস্তরের মানুষের সচেতন থেকে দেশের জন‍্য সরকারের উন্নয়নশীল কাজে সহযোগিতা করা। এবং করোনা মোকাবেলায় চিকিৎসক সাংবাদিক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ দেশের সকল জরুরী সেবামূলক প্রতিষ্টানগুলোর সকল সদস্যদের প্রতি জাতি আজ কৃতজ্ঞ। এবং করোনা মহামারি মোকাবেলায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেবামূলক কাজ করতে গিয়ে এযাবৎ সাংবাদিক পুলিশ ও ডাক্তার সদস‍্যদের মধ‍্য বেশ কয়েকজন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেন।জাতি আজ তাদের বিদেহী আত্নার মাগফিরাত কামনা করছে এবং তাদের অফুরন্ত অবদান জাতির কাছে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্বরনীয় হয়ে থাকবে।

বাংলাদেশে করোনা মহামারি মোকাবেলায় ও দেশের ক্লান্তিলগ্নে সরকার নিরমলসভাবে কাজ করছে এবং সরকারের সর্বোচ্চ চেষ্টায় দেশের মানুষের সেবায় চব্বিশ ঘন্টা নিয়োজিত রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ডাক্তার সংবাদকর্মীসহ দেশের সকল জরুরী সেবামূলক প্রতিষ্টান। এছাড়া রয়েছে সরকার প্রধানের কঠোর তদারকি করোনা মহামারি প্রতিরোধে স্বাস্থ্যসেবা খাদ্য সহায়তায় রয়েছে কঠোর নিদের্শনা।
বর্তমানে দেশের এই ক্লান্তিলগ্নে আমাদের সকলের এগিয়ে আসতে হবে দেশ ও জাতিকে বাাঁচাতে হলে নিজেদের আগে সচেতন হতে হবে। ভয়াবহ করোনা মহামারি প্রতিরোধে আমরা সকলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি ঘরে থাকি ঘর থেকে বাহিরে না যাই। তবেই করোনা মহামারি থেকে বাচবো আমি বাচঁবে জাতি এবং আবারও প্রমাণ করবো আমরাই গর্বিত বাঙ্গালী জাতি।