আদর্শ ছাত্র বন্ধু ফাউন্ডেশন এর বিবৃতি

বাংলার কলম বাংলার কলম

নিজস্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:১৬ অপরাহ্ণ, মে ২২, ২০২০ | আপডেট: ১১:১৬ অপরাহ্ণ

আদর্শ ছাত্র বন্ধু ফাউন্ডেশন এর বিবৃতি

আদর্শ ছাত্রবন্ধু ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কলামিষ্ট কবির নেওয়াজ রাজ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে,ইচ্ছে করলেই মানুষ উদার, মানবতাবাদী, দায়িত্বশীল, পরোপকারী হতে পারে না।নিশ্চয়ই মানুষ পরিবেশের দাস।পরিবেশই মানুষকে বাস্তবতার নিরীক্ষে মানুষ করে গড়ে তোলে।অবশ্য মানুষ নয়,অমানুষ হওয়ার সুযোগ রয়েছে পরিবেশগত কাঠামোতে।একজন স্বনামধন্য ক্রিকেট খেলোয়াড়, বিশ্বজুড়ে যিনি সুপরিচিত,বাংলাদেশের ক্রীড়া জগতের গৌরব। তিনি হঠাৎ সিদ্ধান্ত নিলেন তার পেশা থেকে বিদায় নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে প্রবেশ করার।দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যিনি মানুষকে গুনগত মান দিয়ে বিচার করেন ও মানুষ চিনবার তার প্রভূত অভিজ্ঞতা আছে।তিনি তাকে সাদরে আমন্ত্রন জানালেন দলীয় রাজনীতিতে।দল থেকে তাকে মনোনয়ন দিলেন এবং নির্বাচনে তিনি বিজয়ীও হলেন।নির্বাচিত সাংসদ হয়ে তিনি তার স্থানীয় জনগণের কল্যানে যেভাবে নিজেকে নিয়োজিত রেখে উন্নয়ন তৎপরতায় অংশগ্রহণ করলেন তাতে শুধু তার এলাকার মানুষই নয়,দেশব্যাপী বুদ্ধিজীবীদের ও কলামিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছেন।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রফেশনালদের থেকে এভাবে বেঁচে বেঁচে জাতীয় সংসদে স্থান করে দিয়েছেন।তবে,তাদের সকলেই আশা পূরণ করেছেন এরুপ নয়।কেহ কেহ প্রমাণ করেছেন তাদের প্রফেশনে যেমন তারা দক্ষ, রাজনীতিতে একইভাবে সমাদৃত। মাশরাফি ভাইয়ের রাজনীতির ক্যারিয়ার খুব সুদীর্ঘ নয়।একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবে তিনি যেভাবে সুপরিচিত রাজনীতিবিদ হিসেবে ঐরূপ পরিচিতি তার পূর্বে ছিল বলে মনে হয় না।একজন যোগ্য,দক্ষ, উদার মনের মানুষ যেখানেই অবস্থান গ্রহণ করুক না কেন,তিনি যে তার যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারেন তা প্রমাণ করলেন মাশরাফি। অবশ্য একজন ভালো ক্রীড়াবিদ ও যোগ্য সাংসদ হিসেবে ইতিপূর্বেই তিনি পরিচিতি লাভ করেছেন।কিন্তু তার আসল পরিচয় হচ্ছে তার মানবতাবাদী চিন্তাধারা।করোনা ভাইরাসের এই মহা দুর্যোগে তিনি যেভাবে তার ১৮ বছরের সুরক্ষিত ব্রেসলেট ৪২ লক্ষ টাকায় নিলাম দিয়ে সম্পূর্ণ টাকাটাই তিনি করোনাক্রান্ত মানুষের কল্যানে দান করলেন,এবং তার ব্যক্তিগত ক্ষমতার বাইরেও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে সাহায্য করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তা এদেশের অনেক গুনীজন ও সাধারণ মানুষকে মুগ্ধ করেছেন।রাজনীতি মানে যে লুটপাট নয়,দুর্নীতি নয়,সম্পদ আহরণের প্রক্রিয়া নয়,জনসেবাই রাজনীতির মুল লক্ষ্য এটা মাশরাফি ভাইয়া যথাযথ ভাবে প্রমাণ করেছেন।তারমতো যুবকদেরই জাতীয় রাজনীতিতে আগমনের প্রয়োজন। তাহলে রাজনীতিতে গুনগত পরিবর্তন আসবে।ধন্যবাদ মাশরাফি ভাইয়াকে , ধন্যবাদ মানবতার জননী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে।